j
নারী ও শিশু

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে সাম্প্রতিক সংশোধনী

প্রতীকী ছবি: নারী ও শিশু

নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে বাংলাদেশে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ কার্যকর রয়েছে। সময়ের সাথে অপরাধের ধরন পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে আইনটিতে একাধিকবার সংশোধনী আনা হয়েছে, যার মধ্যে সাম্প্রতিক সংশোধনীতে অনলাইন হয়রানি ও প্রযুক্তিনির্ভর নির্যাতনকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

সংশোধনীর গুরুত্বপূর্ণ দিক

  • ডিজিটাল মাধ্যমে ছবি বা তথ্য প্রকাশ করে হয়রানিকে নির্দিষ্ট অপরাধ হিসেবে অন্তর্ভুক্তকরণ
  • শিশু নির্যাতনের ক্ষেত্রে দ্রুত বিচার নিষ্পত্তির জন্য সময়সীমা নির্ধারণ
  • ভুক্তভোগীর পরিচয় গোপন রাখার বিধান কঠোরভাবে প্রয়োগ
  • মিথ্যা মামলার ক্ষেত্রে প্রতিকারের সুযোগ সংযোজন

বিচার প্রক্রিয়া

এই আইনের অধীন মামলাগুলো নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বিচার হয়, যেখানে সাধারণত দ্রুত ও অগ্রাধিকারভিত্তিক শুনানির নিয়ম অনুসরণ করা হয়। অভিযোগ দায়েরের জন্য থানায় এজাহার বা সরাসরি ট্রাইব্যুনালে নালিশি মামলা করা যায়।

ভুক্তভোগীর জন্য সহায়তা

জাতীয় হেল্পলাইন, ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার এবং আইনি সহায়তা সংস্থাগুলোর মাধ্যমে ভুক্তভোগীরা চিকিৎসা, মনস্তাত্ত্বিক সহায়তা ও আইনি পরামর্শ পেতে পারেন।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

অভিযোগ করতে ভুক্তভোগীর উপস্থিতি কি বাধ্যতামূলক?

সাধারণত ভুক্তভোগী বা তার আইনি অভিভাবক অভিযোগ দায়ের করেন, তবে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে অন্য কেউও তথ্য জানাতে পারেন।

এই আইনের মামলা কি আপসযোগ্য?

অপরাধের প্রকৃতিভেদে কিছু ধারা আপসযোগ্য নয় — নির্দিষ্ট ধারা বিবেচনায় আদালত সিদ্ধান্ত নেন।

এই নিবন্ধটি সাধারণ তথ্য প্রদানের উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে এবং এটি নির্দিষ্ট কোনো মামলার আইনি পরামর্শ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়। ব্যক্তিগত মামলার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞ একজন আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

শেয়ার করুন:

ব্যারিস্টার সাদিয়া রহমান

ইংল্যান্ডের লিংকনস ইন থেকে বার-অ্যাট-ল এবং ঢাকার আইনজীবী। সাংবিধানিক ও আদালত-বিষয়ক প্রতিবেদন লেখেন।

মন্তব্যসমূহ (০)