j
আপিল বিভাগ

মাওলানা আবুল কালাম আজাদের মৃত্যুদণ্ডের আপিল শুনানি আবারও পিছিয়ে দিলেন আপিল বিভাগ

আপিল বিভাগের এজলাস ও বিচারিক নথির প্রতীকী দৃশ্য
প্রতীকী ছবি: আপিল বিভাগ

মূল পয়েন্ট

  • মঙ্গলবার ধার্য শুনানি না হয়ে মামলাটি পরবর্তী তারিখে পাঠিয়ে দিলেন আপিল বিভাগ
  • প্রধান কৌঁসুলিকে বিচারাধীন বিষয়ে প্রকাশ্য মন্তব্য না করতে সতর্ক করেছেন আদালত
  • ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে ২৪ অক্টোবর আপিল বিভাগের অবকাশ, এরপর চার সপ্তাহ পর নতুন শুনানি
  • ২০১৩ সালে অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ড, ২১ জানুয়ারি আত্মসমর্পণের পর আপিল প্রক্রিয়া চলছে

একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মাওলানা আবুল কালাম আজাদের আপিল শুনানি মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) ধার্য থাকলেও তা আবারও পিছিয়ে দিয়েছেন আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের একটি বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

কী ঘটেছে

নির্ধারিত দিনে শুনানি অনুষ্ঠিত না করে আদালত মামলাটি পরবর্তী তারিখে পাঠিয়ে দেন। একই সঙ্গে আদালত এই বিচারাধীন মামলা নিয়ে জনসমক্ষে মন্তব্য না করার জন্য প্রধান কৌঁসুলি মো. আমিনুল ইসলামকে সতর্ক করে দেন।

কবে পরবর্তী শুনানি

আপিল বিভাগ ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত অবকাশে থাকবে। আদালত অবকাশ শেষ হওয়ার চার সপ্তাহ পর নতুন তারিখ ধার্য করেছেন, অর্থাৎ মামলাটির পরবর্তী শুনানি হতে পারে নভেম্বরের প্রথম দিকে।

মামলার প্রেক্ষাপট

মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ২০১৩ সালে মাওলানা আবুল কালাম আজাদকে অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ড দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর তিনি চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি আত্মসমর্পণ করেন, এরপর থেকে তাঁর সাজার বিরুদ্ধে আপিল প্রক্রিয়া চলছে।

কেন এই বিলম্ব গুরুত্বপূর্ণ

একাত্তরের যুদ্ধাপরাধ সংক্রান্ত মামলাগুলো বাংলাদেশে এখনো অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও সামাজিকভাবে আলোচিত বিষয়। মৃত্যুদণ্ডের মতো চূড়ান্ত সাজার আপিল হওয়ায় আদালত অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে অগ্রসর হচ্ছে বলে ধারণা করা যায়। প্রকাশ্যে মন্তব্য না করার নির্দেশনা থেকেও বোঝা যায়, বিচারাধীন বিষয়ে বাইরের আলোচনা মামলার নিরপেক্ষতা প্রভাবিত করতে পারে বলে আদালত মনে করছে। একই দিনে আপিল বিভাগের অন্য একটি বেঞ্চেও উত্তেজনাকর একটি ঘটনা ঘটেছে (সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদন দেখুন), যা থেকে বোঝা যায় বিচারাঙ্গনে চলতি সপ্তাহে সামগ্রিকভাবে একটি ব্যস্ত কার্যক্রম চলছে।

শুনানি পিছিয়ে যাওয়ার অর্থ এই নয় যে মামলার ফলাফল নিয়ে কোনো ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে — এটি নিছক একটি কার্যক্রমগত পদক্ষেপ, যার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত অবকাশ-পরবর্তী শুনানিতেই আসবে।

শেয়ার করুন:
Editorial Desk

Editorial Desk

BDLawsDaily Editorial Desk বাংলাদেশের আইন-সংক্রান্ত সাম্প্রতিক সংবাদ, সংসদীয় কার্যক্রম, সরকারি প্রজ্ঞাপন ও আইন সংশোধনী সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করে পাঠকদের জন্য উপস্থাপন করে।

মন্তব্যসমূহ (০)