টর্ট আইনের সাধারণ নিয়ম হলো, দোষ থাকলে দায় (no liability without fault)। অবহেলার মামলায় বাদীকে দেখাতে হয় যে বিবাদীর যত্নের দায়িত্ব ছিল, তিনি সেই দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন এবং তাতে ক্ষতি হয়েছে। কিন্তু কিছু কাজ এতটাই ঝুঁকিপূর্ণ যে সমাজ চায়, যিনি সেই ঝুঁকি তৈরি করেছেন, ক্ষতি হলে তিনিই দায় নেবেন, তাঁর অবহেলা প্রমাণিত হোক বা না হোক। এই ধারণা থেকেই এসেছে Strict Liability বা কঠোর দায়ের নীতি, এবং পরবর্তী সময়ে এর আরও কঠোর রূপ Absolute Liability।
এলএলবির টর্ট আইনে এটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। শিল্পায়ন, রাসায়নিক কারখানা ও পরিবেশ দূষণের যুগে বিষয়টির বাস্তব প্রাসঙ্গিকতাও বেড়েছে। অবহেলার মৌলিক নিয়ম নিয়ে আগে পড়ে নিতে পারেন টর্ট আইনে Negligence-এর উপাদান।
Rylands v Fletcher: মামলার ঘটনা
উনিশ শতকের ইংল্যান্ডে বিবাদী Rylands তাঁর মিলের পানি সরবরাহের জন্য নিজের জমিতে একটি জলাধার নির্মাণ করান। নির্মাণকাজ করেছিলেন স্বাধীন ঠিকাদাররা। জলাধারের নিচে পুরোনো কয়লাখনির কিছু পরিত্যক্ত সুড়ঙ্গ ছিল, যা ঠিকাদাররা লক্ষ করলেও যথাযথভাবে বন্ধ করেননি। জলাধারে পানি ভরার পর সেই পানি সুড়ঙ্গ বেয়ে পাশের জমিতে বাদী Fletcher-এর সচল খনিতে ঢুকে পড়ে এবং খনিটি প্লাবিত হয়।
সমস্যা ছিল, Rylands নিজে কোনো অবহেলা করেননি; সুড়ঙ্গের কথা তিনি জানতেনও না। ঠিকাদারের অবহেলার জন্য সে সময়ের নিয়মে তাঁকে সরাসরি দায়ী করাও কঠিন ছিল। তবু আদালত Rylands-কে দায়ী করেন।
আদালতের নিয়ম
মামলার প্রথম পর্যায়ে বিচারপতি Blackburn (১৮৬৬) নিয়মটি এভাবে বলেন: কোনো ব্যক্তি যদি নিজের উদ্দেশ্যে তাঁর জমিতে এমন কিছু এনে জমা করেন বা রাখেন, যা বেরিয়ে গেলে ক্ষতি করার সম্ভাবনা আছে, তাহলে তিনি নিজের ঝুঁকিতেই তা রাখেন; বস্তুটি বেরিয়ে গিয়ে যে স্বাভাবিক ক্ষতি করে, তার জন্য তিনি প্রাথমিকভাবে দায়ী। পরে হাউস অব লর্ডস (১৮৬৮) রায় বহাল রাখে এবং Lord Cairns এর সঙ্গে "জমির অস্বাভাবিক ব্যবহার" (non-natural use) শর্তটি যোগ করেন।
Strict Liability-র উপাদান
- বিপজ্জনক বস্তু: বস্তুটি এমন হতে হবে, যা বেরিয়ে গেলে ক্ষতি করার সম্ভাবনা রাখে। পানি, গ্যাস, বিদ্যুৎ, রাসায়নিক, বিস্ফোরক, এমনকি বিষাক্ত গাছও আদালতে এমন বস্তু হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
- জমিতে এনে রাখা: বিবাদী নিজের উদ্দেশ্যে বস্তুটি জমিতে এনেছেন বা জমা করেছেন। প্রাকৃতিকভাবে জমিতে থাকা জিনিস, যেমন বৃষ্টির পানি বা স্বাভাবিকভাবে জন্মানো আগাছা, এর আওতায় পড়ে না।
- অস্বাভাবিক ব্যবহার: জমির ব্যবহার সাধারণ বা স্বাভাবিক নয়, বরং বিশেষ ঝুঁকি তৈরি করে এমন। বাড়ির সাধারণ পানির লাইন বা রান্নার গ্যাস সাধারণত স্বাভাবিক ব্যবহার, কিন্তু শিল্প কাজে বিপুল পরিমাণ পানি বা রাসায়নিক জমা অস্বাভাবিক ব্যবহার হিসেবে গণ্য হতে পারে।
- বেরিয়ে যাওয়া (escape): বস্তুটি বিবাদীর নিয়ন্ত্রণাধীন জায়গা থেকে বাইরে বেরিয়ে যেতে হবে।
- ক্ষতি: বেরিয়ে যাওয়ার ফলে বাদীর ক্ষতি হতে হবে।
নিয়মের ব্যতিক্রম
নামে "কঠোর" হলেও Strict Liability নিরঙ্কুশ নয়। আদালত কয়েকটি স্বীকৃত ব্যতিক্রম দিয়েছেন:
- বাদীর নিজের দোষ: ক্ষতি বাদীর নিজের কাজ বা অবহেলার কারণে হলে বিবাদী দায়ী নন।
- দৈবদুর্বিপাক (Act of God): মানুষের পূর্বানুমানের বাইরে অস্বাভাবিক প্রাকৃতিক ঘটনা। Nichols v Marsland (১৮৭৬) মামলায় নজিরবিহীন ভারী বৃষ্টিতে কৃত্রিম হ্রদের বাঁধ ভেঙে ক্ষতি হলে বিবাদীকে দায়মুক্ত করা হয়।
- সম্মতি বা অভিন্ন সুবিধা: বাদী নিজে বস্তুটি রাখার বিষয়ে সম্মতি দিলে, বা বস্তুটি উভয়ের সুবিধার জন্য রাখা হলে, যেমন একই ভবনের বাসিন্দাদের জন্য ছাদের পানির ট্যাংক।
- তৃতীয় ব্যক্তির কাজ: বিবাদীর নিয়ন্ত্রণের বাইরের কোনো অপরিচিত ব্যক্তির ক্ষতিকর কাজে বস্তুটি বেরিয়ে গেলে। Rickards v Lothian (১৯১৩) মামলায় অজ্ঞাত কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে বেসিনের পাইপ বন্ধ করে পানি উপচে দিলে বাড়ির মালিক দায়মুক্ত হন।
- সংবিধিবদ্ধ কর্তৃত্ব: আইনের নির্দেশে বা অনুমোদনে কাজটি করা হলে এবং অবহেলা না থাকলে।
পরবর্তী মামলায় নীতির সংকোচন
ইংল্যান্ডে সময়ের সঙ্গে আদালত নীতিটির পরিধি সংকুচিত করেছেন। Read v J Lyons (১৯৪৭) মামলায় যুদ্ধকালীন অস্ত্র কারখানার ভেতরে বিস্ফোরণে একজন পরিদর্শক আহত হলেও হাউস অব লর্ডস দায় অস্বীকার করে, কারণ কোনো কিছু কারখানার সীমানার বাইরে "বেরিয়ে যায়নি"। Cambridge Water Co v Eastern Counties Leather (১৯৯৪) মামলায় বলা হয়, ক্ষতির ধরনটি পূর্বানুমেয় হতে হবে। পরে Transco v Stockport MBC (২০০৩) মামলায় হাউস অব লর্ডস নীতিটি টিকিয়ে রাখলেও তা প্রয়োগের সীমা আরও সংকীর্ণ করে। ফলে ইংল্যান্ডে নীতিটি এখন বেশ সীমিত পরিসরে কাজ করে।
Absolute Liability: M.C. Mehta v Union of India (১৯৮৭)
উপমহাদেশে এই প্রশ্নে বড় মোড় আসে ভারতে। ১৯৮৪ সালের ভোপাল গ্যাস দুর্ঘটনার পটভূমিতে ১৯৮৫ সালে দিল্লির শ্রীরাম ফুড অ্যান্ড ফার্টিলাইজার কারখানা থেকে ওলিয়াম গ্যাস নির্গত হয়ে মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হন। এ নিয়ে জনস্বার্থ মামলায় ভারতের সুপ্রিম কোর্ট (বিচারপতি পি এন ভগবতী) Rylands v Fletcher নীতিকে আধুনিক শিল্পসমাজের জন্য অপর্যাপ্ত বলে মত দেন এবং নতুন নীতি ঘোষণা করেন:
- যে প্রতিষ্ঠান সহজাতভাবে বিপজ্জনক বা ক্ষতিকর কাজে নিয়োজিত, তার কাজ থেকে কারও ক্ষতি হলে প্রতিষ্ঠানটি সম্পূর্ণভাবে ও নিঃশর্তভাবে দায়ী।
- Rylands v Fletcher-এর কোনো ব্যতিক্রম, যেমন দৈবদুর্বিপাক বা তৃতীয় ব্যক্তির কাজ, এখানে প্রযোজ্য হবে না।
- "বেরিয়ে যাওয়া" বা "অস্বাভাবিক ব্যবহার" প্রমাণের প্রয়োজন নেই।
- ক্ষতিপূরণের পরিমাণ প্রতিষ্ঠানের আকার ও আর্থিক সামর্থ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত হবে, যাতে তা প্রতিরোধমূলক (deterrent) প্রভাব ফেলে।
আদালতের যুক্তি ছিল, যে প্রতিষ্ঠান ঝুঁকিপূর্ণ কাজ থেকে মুনাফা করে, ঝুঁকির মূল্যও তাকেই বহন করতে হবে; আর সেই প্রতিষ্ঠানই ঝুঁকি শনাক্ত ও প্রতিরোধে সবচেয়ে ভালো অবস্থানে আছে।
M.C. Mehta মামলার পটভূমিতে ছিল ১৯৮৪ সালের ভোপাল দুর্ঘটনা, যেখানে ইউনিয়ন কার্বাইডের কারখানা থেকে বিষাক্ত গ্যাস নির্গত হয়ে বহু মানুষের মৃত্যু হয়। ঐতিহ্যবাহী Rylands নীতির ব্যতিক্রমগুলো কাজে লাগিয়ে বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠান দায় এড়িয়ে যেতে পারে, এই আশঙ্কাই আদালতকে নতুন নীতির দিকে নিয়ে যায়। পরে ভারতে Public Liability Insurance Act, 1991 প্রণীত হয়, যা বিপজ্জনক পদার্থ নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠানের জন্য দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের তাৎক্ষণিক ত্রাণ নিশ্চিত করতে বিমা বাধ্যতামূলক করে এবং দোষ প্রমাণ ছাড়াই নির্দিষ্ট ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা রাখে।
দুই নীতির পার্থক্য
| বিষয় | Strict Liability | Absolute Liability |
|---|---|---|
| উৎস | Rylands v Fletcher (ইংল্যান্ড, ১৮৬৮) | M.C. Mehta v Union of India (ভারত, ১৯৮৭) |
| ব্যতিক্রম | পাঁচটি স্বীকৃত ব্যতিক্রম আছে | কোনো ব্যতিক্রম নেই |
| বেরিয়ে যাওয়া | অপরিহার্য | প্রয়োজন নেই |
| অস্বাভাবিক ব্যবহার | প্রমাণ করতে হয় | বিপজ্জনক কাজে নিয়োজিত হওয়াই যথেষ্ট |
| ক্ষতিপূরণ | সাধারণ ক্ষতিপূরণ নীতি | প্রতিষ্ঠানের সামর্থ্য অনুযায়ী, প্রতিরোধমূলক |
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট
বাংলাদেশে টর্ট আইন মূলত অসংহিতাবদ্ধ (uncodified)। আদালত সাধারণত ইংরেজি কমন ল-এর নীতি, ন্যায়, সাম্য ও শুদ্ধ বিবেকের (justice, equity and good conscience) আলোকে প্রয়োগ করেন। ফলে Rylands v Fletcher নীতি এখানে প্রাসঙ্গিক এবং পাঠ্য। ভারতীয় M.C. Mehta মামলার Absolute Liability নীতি বাংলাদেশের আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক নয়, তবে এর প্ররোচনামূলক মূল্য রয়েছে, বিশেষ করে পরিবেশ ও শিল্প দুর্ঘটনা-সংক্রান্ত মামলায়।
বাস্তবে বাংলাদেশে শিল্প দূষণ ও ক্ষতির প্রতিকার অনেক ক্ষেত্রে সংবিধিবদ্ধ পথেও চাওয়া হয়। যেমন বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫-এর অধীনে প্রতিবেশ ব্যবস্থার ক্ষতির জন্য দায়ী ব্যক্তিকে সংশোধনমূলক ব্যবস্থা নিতে বলা ও ক্ষতিপূরণ আদায়ের বিধান আছে। দূষণকারীকে মূল্য পরিশোধ করতে হবে, এই নীতির সঙ্গে কঠোর দায়ের ধারণা ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। বিস্তারিত পড়ুন Polluter Pays Principle এবং পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ বিষয়ক লেখায়।
একটি সমস্যাভিত্তিক উদাহরণ
সমস্যা: একটি রং কারখানা তার আঙিনায় বড় ট্যাংকে রাসায়নিক বর্জ্য জমা রাখে। স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বেশি বৃষ্টিতে ট্যাংক উপচে বর্জ্য পাশের মাছের খামারে গিয়ে মাছ মারা যায়। কারখানা দাবি করে, তারা সব নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছিল এবং বৃষ্টি ছিল দৈবদুর্বিপাক। খামারমালিক কি ক্ষতিপূরণ পাবেন?
বিশ্লেষণ: রাসায়নিক বর্জ্য জমা রাখা জমির অস্বাভাবিক ব্যবহার, বর্জ্য বেরিয়ে গেছে এবং ক্ষতি হয়েছে, তাই Strict Liability-র উপাদানগুলো উপস্থিত। কারখানার দৈবদুর্বিপাকের যুক্তি টিকবে না, কারণ "স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বেশি" বৃষ্টি পূর্বানুমানযোগ্য; Nichols v Marsland-এর মতো নজিরবিহীন ঘটনা নয়। অবহেলা না থাকলেও কারখানা দায়ী হবে। আর Absolute Liability-র দৃষ্টিভঙ্গিতে বিপজ্জনক কাজে নিয়োজিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে কারখানার দায়মুক্তির কোনো সুযোগই থাকে না।
টর্টের Strict Liability বনাম ফৌজদারি আইনের Strict Liability
"Strict liability" শব্দটি ফৌজদারি আইনেও ব্যবহৃত হয়, তবে ভিন্ন অর্থে। ফৌজদারি আইনে সাধারণ নিয়ম হলো অপরাধের জন্য দোষী মন (mens rea) প্রয়োজন। কিছু নিয়ন্ত্রণমূলক অপরাধ, যেমন খাদ্যে ভেজাল বা নির্দিষ্ট লাইসেন্স-সংক্রান্ত লঙ্ঘন, আইনে এমনভাবে লেখা থাকে যে দোষী মন প্রমাণ ছাড়াই দায় তৈরি হয়; এগুলোকে strict liability offence বলা হয়। টর্টের Strict Liability-র বিষয় ক্ষতিপূরণ, আর ফৌজদারি strict liability-র বিষয় শাস্তি। পরীক্ষায় প্রশ্নের প্রেক্ষাপট বুঝে কোন অর্থে শব্দটি ব্যবহার হচ্ছে, তা স্পষ্ট করুন। ফৌজদারি আইনে দোষী মনের ধারণা জানতে দেখুন Mens Rea ও Actus Reus।
সাধারণ ভুল
- Strict Liability ও Absolute Liability-কে সমার্থক হিসেবে লেখা।
- Rylands v Fletcher-এ বিবাদীর অবহেলা ছিল বলে উল্লেখ করা; আসলে মামলার গুরুত্বই হলো অবহেলা ছাড়া দায়।
- "বেরিয়ে যাওয়া" শর্ত এড়িয়ে যাওয়া, অথচ Read v J Lyons এ শর্তের ওপরই নির্ভরশীল।
- ভারতীয় M.C. Mehta নীতিকে বাংলাদেশে বাধ্যতামূলক বলে উপস্থাপন করা।
- দৈবদুর্বিপাকের ব্যতিক্রমকে যেকোনো প্রাকৃতিক ঘটনায় প্রয়োগ করা। স্বাভাবিক বা পূর্বানুমেয় বৃষ্টি, ঝড় বা বন্যা এই ব্যতিক্রমের আওতায় পড়ে না; ঘটনাটি অস্বাভাবিক ও মানুষের পূর্বানুমানের বাইরে হতে হয়।
- Strict Liability-কে অনুমানভিত্তিক দায় ভাবা। বাদীকে তবু উপাদানগুলো, বিশেষ করে বস্তুটি বেরিয়ে যাওয়া ও তা থেকে ক্ষতি, প্রমাণ করতে হয়; ছাড় পাওয়া যায় শুধু অবহেলা প্রমাণের দায় থেকে।
অনুশীলনের জন্য প্রশ্ন
নিচের প্রশ্নগুলো সিলেবাসভিত্তিক অনুশীলনী, কোনো নির্দিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় বা বছরের পরীক্ষার প্রশ্ন নয়:
- Rylands v Fletcher মামলায় প্রতিষ্ঠিত Strict Liability নীতি ও এর ব্যতিক্রমসমূহ আলোচনা কর।
- Strict Liability ও Absolute Liability-র পার্থক্য নির্ণয় কর।
- "M.C. Mehta মামলা টর্ট আইনে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে": আলোচনা কর।
টর্টের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দায়-নীতি সম্পর্কে জানতে পড়ুন Vicarious Liability, আর টর্ট ও অপরাধের মৌলিক পার্থক্যের জন্য Tort ও Crime-এর পার্থক্য।
শেষ কথা
Strict Liability দোষভিত্তিক দায়ের সাধারণ নিয়ম থেকে একটি সচেতন বিচ্যুতি: ঝুঁকি যিনি তৈরি করেন, ক্ষতির দায়ও তাঁর। Absolute Liability সেই যুক্তিকে শিল্পযুগের বাস্তবতায় আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়েছে। পরীক্ষায় দুটি নীতির উপাদান, ব্যতিক্রম ও পার্থক্য পরিষ্কারভাবে দেখাতে পারলে এবং প্রাসঙ্গিক মামলার নাম সঠিকভাবে লিখতে পারলে উত্তর পূর্ণাঙ্গ হয়।

মন্তব্যসমূহ (০)