j
নিম্ন আদালত

ঢামেক অধ্যাপককে মারধরের মামলায় দুই আসামির ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

নিম্ন আদালতের রিমান্ড শুনানি ও ফৌজদারি মামলার প্রতীকী দৃশ্য
প্রতীকী ছবি: নিম্ন আদালত

মূল পয়েন্ট

  • ১৭ আগস্ট শান্তিনগরে ঢামেক অধ্যাপক ডা. আসাদুর রহমানকে মারধরের অভিযোগ
  • গ্রেপ্তার সাব্বির হোসেন ও ফাহিম ইসরাক লাবিবকে ৩ দিনের রিমান্ড দিয়েছে আদালত
  • পুলিশ ১০ দিনের রিমান্ড চাইলেও ম্যাজিস্ট্রেট ৩ দিন মঞ্জুর করেন
  • অভিযুক্তদের ঢাকার একটি চাঁদাবাজ চক্রের সঙ্গে সম্পৃক্ততা আছে বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) অধ্যাপক ডা. মো. আসাদুর রহমানকে মারধরের মামলায় গ্রেপ্তার দুই আসামিকে তিন দিন করে পুলিশ রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালত এই আদেশ দেন। পুলিশ ১০ দিনের রিমান্ড চেয়েছিল।

ঘটনা যেভাবে ঘটে

গত ১৭ আগস্ট রাত আনুমানিক ১০টায় শান্তিনগরের পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কাছে সিএনজি অটোরিকশায় ওঠার সময় চারজন ব্যক্তি ডা. আসাদুর রহমানের গাড়ি থামিয়ে জোরপূর্বক উঠে তাঁকে মারধর করে। এতে তাঁর মাথা, চোখ ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত লাগে। স্থানীয় এক ব্যক্তি জীবন নামের একজনকে হাতেনাতে ধরে ফেললেও বাকিরা পালিয়ে যায়। পুলিশ ডা. আসাদুরকে উদ্ধার করে ঢামেকে নিয়ে যায়। পরদিন ১৮ আগস্ট তিনি পল্টন মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

কারা গ্রেপ্তার হয়েছেন

মামলায় গ্রেপ্তার দুই আসামি সাব্বির হোসেন (১৮) ও ফাহিম ইসরাক লাবিব (২০)। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় সক্রিয় একটি চাঁদাবাজ চক্রের সঙ্গে দুজনেরই সম্পৃক্ততা রয়েছে।

আইনি প্রেক্ষাপট

ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী তদন্তের স্বার্থে পুলিশ আদালতের কাছে আসামিকে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করতে পারে, তবে চূড়ান্ত রিমান্ডের মেয়াদ নির্ধারণ করেন ম্যাজিস্ট্রেট নিজে — পুলিশের চাওয়া মেয়াদ পুরোপুরি মঞ্জুর হওয়া বাধ্যতামূলক নয়, এই মামলাতেও তারই প্রতিফলন দেখা গেছে। রিমান্ডে নেওয়া মানেই আসামি দোষী প্রমাণিত হওয়া নয় — এটি তদন্তের একটি ধাপমাত্র।

কেন এই ঘটনা গুরুত্বপূর্ণ

প্রকাশ্য রাস্তায় একজন চিকিৎসকের ওপর পরিকল্পিত হামলার এই ঘটনা রাজধানীতে চাঁদাবাজি চক্রের সক্রিয়তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। তদন্তকারীদের বক্তব্য অনুযায়ী অভিযুক্তদের সংগঠিত অপরাধচক্রের সঙ্গে সম্পৃক্ততা থাকায় রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে চক্রের অন্য সদস্য ও হামলার প্রকৃত উদ্দেশ্য উদ্‌ঘাটনের চেষ্টা চালানো হবে বলে ধারণা করা যায়।

শেয়ার করুন:
Editorial Desk

Editorial Desk

BDLawsDaily Editorial Desk বাংলাদেশের আইন-সংক্রান্ত সাম্প্রতিক সংবাদ, সংসদীয় কার্যক্রম, সরকারি প্রজ্ঞাপন ও আইন সংশোধনী সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করে পাঠকদের জন্য উপস্থাপন করে।

মন্তব্যসমূহ (০)