j
সাইবার আইন

অনলাইনে হয়রানি বা প্রতারণার শিকার হলে আইনি প্রতিকার কী

স্মার্টফোন স্ক্রিন, লক আইকন ও সাইবার নিরাপত্তার প্রতীকী দৃশ্য
প্রতীকী ছবি: সাইবার আইন

মূল পয়েন্ট

  • সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫ অনলাইন হয়রানি, ব্ল্যাকমেইল ও প্রতারণা নিয়ন্ত্রণ করে
  • ভুক্তভোগী সাইবার ট্রাইব্যুনালে বা থানার সাইবার ইউনিটে অভিযোগ করতে পারেন
  • স্ক্রিনশট, লিংক ও ঘটনার সময়-তারিখ প্রমাণ হিসেবে সংরক্ষণ করা জরুরি
  • ডিজিটাল প্রমাণ সহজে মুছে যেতে পারে, তাই দ্রুত সংরক্ষণ জরুরি

ফেসবুক বা অন্য কোনো অনলাইন মাধ্যমে হয়রানি, ব্ল্যাকমেইল বা প্রতারণার শিকার হওয়া এখন একটি সাধারণ সমস্যা। বাংলাদেশে বর্তমানে এই বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রিত হয় সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর মাধ্যমে, যা পূর্ববর্তী সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩-কে রহিত করে কার্যকর হয়েছে।

অধ্যাদেশে কী কী অপরাধ অন্তর্ভুক্ত

  • সাইবার স্পেসে প্রতারণামূলক কার্যকলাপ
  • যৌন হয়রানি
  • ব্ল্যাকমেইল বা অশ্লীল বিষয়বস্তু প্রকাশের হুমকি
  • ধর্মীয় বা জাতিগত বিষয়ে সহিংসতা ও ঘৃণা ছড়ানো

অভিযোগ কীভাবে করবেন

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি নিজে অথবা তার পক্ষে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট সাইবার ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেন। এছাড়া থানায় পুলিশের সাইবার ইউনিটেও প্রাথমিকভাবে অভিযোগ জানানো যায়, যা পরবর্তীতে তদন্ত সাপেক্ষে ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হতে পারে।

অভিযোগ করার আগে যা প্রস্তুত রাখবেন

  • স্ক্রিনশট, লিংক বা মেসেজের কপি — যতটা সম্ভব মূল আকারে সংরক্ষণ করা
  • সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্ট বা প্রোফাইলের তথ্য
  • ঘটনার তারিখ ও সময়ের বিবরণ

মনে রাখা জরুরি বিষয়

ডিজিটাল প্রমাণ সহজেই মুছে ফেলা বা পরিবর্তন করা সম্ভব, তাই হয়রানির প্রমাণ যত দ্রুত সম্ভব সংরক্ষণ করা উচিত। আইন দ্রুত পরিবর্তিত হতে পারে এমন একটি ক্ষেত্র হওয়ায়, নির্দিষ্ট অভিযোগের ধরন অনুযায়ী সর্বশেষ বিধান যাচাই করে একজন আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া উচিত।

শেয়ার করুন:
Legal Desk

Legal Desk

BDLawsDaily Legal Desk বাংলাদেশের প্রচলিত আইন, বিধি ও গুরুত্বপূর্ণ রায় বিশ্লেষণ করে সহজ ভাষায় ব্যাখ্যামূলক ও নাগরিকের প্রয়োজনীয় আইনগত তথ্যভিত্তিক প্রতিবেদন তৈরি করে।

মন্তব্যসমূহ (০)