j
নাগরিক অধিকার

তথ্য অধিকার আইন ২০০৯: সরকারি তথ্য জানার আইনগত পদ্ধতি

নথিপত্র ও তথ্য আবেদন ফরমের প্রতীকী দৃশ্য
প্রতীকী ছবি: নাগরিক অধিকার

মূল পয়েন্ট

  • তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ সরকারি তথ্য জানার আইনি অধিকার নিশ্চিত করে
  • নির্ধারিত ফর্মে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে আবেদন করতে হয়
  • সাধারণত ২০ কার্যদিবসের মধ্যে তথ্য সরবরাহ করতে কর্তৃপক্ষ বাধ্য
  • তথ্য না পেলে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও পরে তথ্য কমিশনে আপিল করা যায়

সরকারি কোনো দপ্তরের সিদ্ধান্ত বা কার্যক্রম সম্পর্কে জানতে চাওয়া একজন নাগরিকের আইনি অধিকার — এবং এই অধিকার নিশ্চিত করেছে তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯।

আইনের উদ্দেশ্য

তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করা এবং জনগণের তথ্য জানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করাই এই আইনের মূল লক্ষ্য। সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও নির্দিষ্ট বেসরকারি প্রতিষ্ঠান — যেগুলো সরকারি তহবিল দ্বারা পরিচালিত — সবই এই আইনের আওতায় পড়ে।

তথ্য চাওয়ার প্রক্রিয়া

সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নির্ধারিত দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে নির্ধারিত ফর্মে আবেদন করতে হয়। বেশিরভাগ সরকারি দপ্তরের ওয়েবসাইটে এই আবেদন ফর্ম পাওয়া যায়।

তথ্য প্রাপ্তির সময়সীমা

দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবেদন প্রাপ্তির তারিখ থেকে সর্বোচ্চ ২০ কার্যদিবসের মধ্যে তথ্য সরবরাহ করতে বাধ্য। তবে অনুরোধকৃত তথ্যের সঙ্গে একাধিক তথ্য প্রদান ইউনিট বা কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্টতা থাকলে এই সময়সীমা সর্বোচ্চ ৩০ কার্যদিবস পর্যন্ত বাড়তে পারে।

তথ্য না পেলে করণীয়

নির্ধারিত সময়ে তথ্য না পেলে বা আবেদন প্রত্যাখ্যাত হলে ধাপে ধাপে প্রতিকার চাওয়া যায়:

  1. সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে আপিল করতে হবে
  2. আপিলেও সুরাহা না হলে তথ্য কমিশনে অভিযোগ দায়ের করা যাবে

মনে রাখা জরুরি বিষয়

প্রতিটি আবেদন যত সুনির্দিষ্টভাবে লেখা যায় — কোন দপ্তর, কোন বিষয়ে, কোন সময়কালের তথ্য প্রয়োজন তা স্পষ্ট করে উল্লেখ করলে — তথ্য পাওয়ার প্রক্রিয়া তত সহজ ও দ্রুত হয়।

শেয়ার করুন:
Legal Desk

Legal Desk

BDLawsDaily Legal Desk বাংলাদেশের প্রচলিত আইন, বিধি ও গুরুত্বপূর্ণ রায় বিশ্লেষণ করে সহজ ভাষায় ব্যাখ্যামূলক ও নাগরিকের প্রয়োজনীয় আইনগত তথ্যভিত্তিক প্রতিবেদন তৈরি করে।

মন্তব্যসমূহ (০)