দুজন মানুষের মধ্যে প্রতিটি প্রতিশ্রুতিই আইনের চোখে চুক্তি নয়। বন্ধুকে বললাম, "কাল তোমাকে আমার বইটা দিয়ে দেব", পরে দিলাম না; বন্ধু কি মামলা করতে পারবে? সাধারণত না। কারণ এখানে বন্ধুর পক্ষ থেকে বিনিময়ে কিছু ছিল না। চুক্তি আইনে এই "বিনিময়ে কিছু"কে বলা হয় consideration বা প্রতিদান। এটি একটি বৈধ চুক্তির অপরিহার্য উপাদান, আর এ কারণেই বলা হয়: No consideration, no contract।
এলএলবি পরীক্ষায় এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। নিচে সংজ্ঞা, উপাদান, প্রকারভেদ, গুরুত্বপূর্ণ মামলা ও ২৫ ধারার ব্যতিক্রম পরীক্ষার উপযোগী কাঠামোয় আলোচনা করা হলো।
Consideration-এর সংজ্ঞা
চুক্তি আইন, ১৮৭২-এর ২(ঘ) ধারা
যখন প্রতিশ্রুতিদাতার ইচ্ছায় প্রতিশ্রুতিগ্রহীতা বা অন্য কোনো ব্যক্তি কোনো কিছু করেছেন বা করা থেকে বিরত থেকেছেন, অথবা করছেন বা বিরত থাকছেন, অথবা করার বা বিরত থাকার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন, তখন সেই কাজ, বিরতি বা প্রতিশ্রুতিকে ওই প্রতিশ্রুতির consideration বলা হয়।
ইংলিশ আইনের সংজ্ঞা
Currie v Misa (1875) মামলায় consideration-কে বলা হয়েছে এক পক্ষের কোনো অধিকার, স্বার্থ, মুনাফা বা সুবিধা, অথবা অপর পক্ষের কোনো ক্ষতি, অসুবিধা বা দায় গ্রহণ। সহজ কথায়, প্রতিশ্রুতির বিনিময়ে যা দেওয়া হয় বা যা ত্যাগ করা হয়, সেটিই প্রতিদান। চুক্তির অন্যান্য উপাদান জানতে পড়ুন চুক্তি কী? বৈধ চুক্তির অপরিহার্য উপাদান।
বৈধ Consideration-এর উপাদান
১. প্রতিশ্রুতিদাতার ইচ্ছায় হতে হবে
কাজটি প্রতিশ্রুতিদাতার অনুরোধ বা ইচ্ছায় করা হতে হবে। নিজের উদ্যোগে, কারও অনুরোধ ছাড়া করা কাজ প্রতিদান হয় না। Durga Prasad v Baldeo (1880) মামলায় কালেক্টরের আদেশে একজন বাজার নির্মাণ করেছিলেন; পরে দোকানদাররা তাঁকে কমিশন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। আদালত বলেন, নির্মাণকাজ দোকানদারদের ইচ্ছায় হয়নি, তাই তা তাঁদের প্রতিশ্রুতির প্রতিদান নয়, ফলে প্রতিশ্রুতিটি বলবৎযোগ্য নয়।
২. প্রতিশ্রুতিগ্রহীতা বা অন্য কোনো ব্যক্তির কাছ থেকে আসতে পারে
ইংলিশ আইনে প্রতিদান অবশ্যই প্রতিশ্রুতিগ্রহীতার কাছ থেকে আসতে হয়। কিন্তু বাংলাদেশের আইনে "অন্য কোনো ব্যক্তি" কথাটি থাকায় তৃতীয় ব্যক্তির কাছ থেকেও প্রতিদান আসতে পারে। Chinnaya v Ramayya (1882) মামলায় এক বৃদ্ধা তাঁর মেয়েকে সম্পত্তি দান করেন এই শর্তে যে মেয়ে বৃদ্ধার ভাইকে বার্ষিক ভাতা দেবেন। মেয়ে ভাতা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে পরে অস্বীকার করেন, যুক্তি দেন যে ভাইয়ের কাছ থেকে কোনো প্রতিদান আসেনি। আদালত বলেন, বৃদ্ধার দেওয়া সম্পত্তিই প্রতিদান, যদিও তা অন্য ব্যক্তির কাছ থেকে এসেছে; তাই ভাই মামলা করতে পারেন।
৩. অতীত, বর্তমান বা ভবিষ্যৎ হতে পারে
- অতীত প্রতিদান: প্রতিশ্রুতির আগে করা কাজ, যদি তা প্রতিশ্রুতিদাতার ইচ্ছায় করা হয়ে থাকে। ইংলিশ আইনে অতীত প্রতিদান সাধারণত বৈধ নয়, কিন্তু বাংলাদেশের ২(ঘ) ধারায় "করেছেন" শব্দটি থাকায় তা বৈধ।
- বর্তমান প্রতিদান: প্রতিশ্রুতির সঙ্গে সঙ্গে সম্পন্ন কাজ, যেমন নগদ টাকায় পণ্য কেনা।
- ভবিষ্যৎ প্রতিদান: ভবিষ্যতে কিছু করার প্রতিশ্রুতি, যেমন পরের মাসে পণ্য সরবরাহের বিনিময়ে আজ অগ্রিম মূল্য।
৪. বাস্তব ও আইনসংগত হতে হবে
প্রতিদান অবাস্তব, অসম্ভব বা অস্পষ্ট হলে চলবে না। আর ২৩ ধারা অনুযায়ী প্রতিদান বেআইনি, প্রতারণামূলক, অন্যের দেহ বা সম্পত্তির ক্ষতিকর, অনৈতিক বা জননীতির পরিপন্থী হলে চুক্তিটি বাতিল।
৫. আগে থেকে বাধ্যতামূলক দায়িত্ব পালন প্রতিদান নয়
আইনত যে কাজ করতে কেউ আগেই বাধ্য, যেমন সাক্ষী হিসেবে আদালতে সত্য বলা, তা নতুন প্রতিশ্রুতির প্রতিদান হিসেবে সাধারণত গণ্য হয় না।
প্রতিদানের পর্যাপ্ততা জরুরি নয়
২৫ ধারার ব্যাখ্যা ২ অনুযায়ী, সম্মতি স্বাধীনভাবে দেওয়া হলে প্রতিদান অপর্যাপ্ত হওয়ার কারণেই চুক্তি বাতিল হয় না। এক লাখ টাকার জিনিস কেউ স্বেচ্ছায় এক হাজার টাকায় বিক্রি করতে পারেন। তবে প্রতিদানের অস্বাভাবিক অপর্যাপ্ততা আদালত বিবেচনা করতে পারেন সম্মতি সত্যিই স্বাধীন ছিল কি না, অর্থাৎ প্রতারণা, জবরদস্তি বা অসম প্রভাব ছিল কি না, তা যাচাইয়ে। এ বিষয়ে দেখুন চুক্তি আইনে প্রতারণা, জবরদস্তি ও অসম প্রভাবের প্রভাব।
২৫ ধারা: প্রতিদানহীন চুক্তি বাতিল, তবে তিন ব্যতিক্রম
২৫ ধারার মূল নিয়ম হলো, প্রতিদান ছাড়া করা চুক্তি বাতিল। তবে তিনটি ক্ষেত্রে প্রতিদান ছাড়াও চুক্তি বৈধ:
ব্যতিক্রম ১: স্বাভাবিক ভালোবাসা ও স্নেহ
নিকট সম্পর্কের পক্ষগুলোর মধ্যে স্বাভাবিক ভালোবাসা ও স্নেহের বশে করা চুক্তি বৈধ, যদি তা:
- লিখিত হয়;
- প্রচলিত দলিল নিবন্ধন আইন অনুযায়ী নিবন্ধিত হয়;
- নিকট সম্পর্কের পক্ষগুলোর মধ্যে হয়;
- স্বাভাবিক ভালোবাসা ও স্নেহ থেকে উদ্ভূত হয়।
উদাহরণ: বাবা স্নেহের বশে ছেলেকে নিবন্ধিত লিখিত দলিলে প্রতিমাসে নির্দিষ্ট অর্থ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলে তা বলবৎযোগ্য। কিন্তু সম্পর্ক তিক্ত হলে "স্নেহ" উপাদান প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে, যা আদালত বিবেচনা করেন।
ব্যতিক্রম ২: অতীতে স্বেচ্ছায় করা কাজের ক্ষতিপূরণ
কেউ যদি প্রতিশ্রুতিদাতার জন্য স্বেচ্ছায় আগে কিছু করে থাকেন, অথবা এমন কিছু করে থাকেন যা প্রতিশ্রুতিদাতা আইনত করতে বাধ্য ছিলেন, তবে তার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি বৈধ। উদাহরণ: কেউ আপনার হারানো মানিব্যাগ খুঁজে ফেরত দিলেন, পরে আপনি কৃতজ্ঞতায় তাঁকে পুরস্কার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেন; এটি বলবৎযোগ্য।
ব্যতিক্রম ৩: তামাদি হয়ে যাওয়া ঋণ পরিশোধের প্রতিশ্রুতি
তামাদি আইনের কারণে আদালতে আদায় অযোগ্য হয়ে যাওয়া ঋণ পরিশোধের লিখিত ও স্বাক্ষরিত প্রতিশ্রুতি বৈধ, পুরো বা আংশিক যা-ই হোক। এটি মৌখিক হলে চলবে না। তামাদির ধারণা জানতে দেখুন Limitation Act অনুযায়ী Limitation-এর ধারণা।
আরও দুটি পরিস্থিতি
- দান: ২৫ ধারার ব্যাখ্যা ১ অনুযায়ী দাতা ও গ্রহীতার মধ্যে প্রকৃতপক্ষে সম্পন্ন দানের বৈধতা প্রতিদানের অভাবে প্রভাবিত হয় না।
- এজেন্সি: ১৮৫ ধারা অনুযায়ী এজেন্সি সৃষ্টিতে প্রতিদান প্রয়োজন হয় না।
Privity of Contract ও Privity of Consideration
পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তৃতীয় ব্যক্তি কি চুক্তি বলবৎ করতে পারেন? Privity of contract নীতি অনুযায়ী সাধারণত চুক্তির পক্ষই চুক্তি বলবৎ করতে পারেন। ইংলিশ মামলা Tweddle v Atkinson (1861) এর পরিচিত উদাহরণ। তবে বাংলাদেশে প্রতিদান তৃতীয় ব্যক্তির কাছ থেকে আসতে পারে বলে "privity of consideration" নীতি প্রযোজ্য নয়, এবং Chinnaya মামলার মতো কিছু ক্ষেত্রে, যেমন ট্রাস্ট বা পারিবারিক ব্যবস্থায়, তৃতীয় সুবিধাভোগীর অধিকার স্বীকৃত হয়েছে।
মামলা না করার প্রতিশ্রুতিও প্রতিদান
২(ঘ) ধারায় "বিরত থাকা" (abstinence) শব্দটি গুরুত্বপূর্ণ। কাউকে কোনো কাজ থেকে বিরত রাখাও প্রতিদান হতে পারে। যেমন, কারও বিরুদ্ধে বৈধ দাবি আছে এমন ব্যক্তি যদি নির্দিষ্ট অর্থের বিনিময়ে মামলা না করার প্রতিশ্রুতি দেন, তবে এই বিরতিই ওই অর্থ দেওয়ার প্রতিশ্রুতির প্রতিদান। আপস-মীমাংসার চুক্তিগুলো এই নীতির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। তবে দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন জেনেও হুমকি দিয়ে টাকা নিলে তা বৈধ প্রতিদান নয়, বরং আইনের অপব্যবহার।
বেআইনি প্রতিদান: ২৩ ধারার সংযোগ
প্রতিদান থাকলেই চুক্তি বৈধ নয়; প্রতিদান আইনসংগতও হতে হবে। ২৩ ধারা অনুযায়ী প্রতিদান বা উদ্দেশ্য বেআইনি হলে চুক্তি বাতিল। উদাহরণ: সরকারি চাকরি পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে টাকা দেওয়ার চুক্তি, কারও বিরুদ্ধে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার বিনিময়ে অর্থ, অথবা চোরাচালানের পণ্য পরিবহনের ভাড়া। এসব ক্ষেত্রে টাকা দেওয়ার পর কাজ না হলেও সাধারণত আদালতের মাধ্যমে টাকা আদায় করা যায় না, কারণ আদালত বেআইনি চুক্তি বলবৎ করেন না।
Consideration বনাম Motive
শিক্ষার্থীরা প্রায়ই প্রতিদান ও উদ্দেশ্য বা মোটিভ গুলিয়ে ফেলেন। মোটিভ হলো কেন একজন চুক্তি করছেন, যেমন লাভের আশা বা সহানুভূতি; আর প্রতিদান হলো বিনিময়ে যা দেওয়া বা ত্যাগ করা হচ্ছে। কেবল ভালো মোটিভ বা নৈতিক দায় প্রতিদানের বিকল্প নয়, যদি না তা ২৫ ধারার কোনো ব্যতিক্রমে পড়ে।
শিক্ষার্থীদের সাধারণ ভুল
- ইংলিশ আইনের "past consideration is no consideration" নীতি বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য বলে লেখা।
- ২৫ ধারার প্রথম ব্যতিক্রমে নিবন্ধনের শর্ত বাদ দেওয়া।
- তৃতীয় ব্যতিক্রমে "লিখিত ও স্বাক্ষরিত" শর্ত উল্লেখ না করা।
- মামলার নাম লিখে ঘটনা ও সিদ্ধান্ত না বলা।
সংক্ষিপ্ত তুলনা: ইংলিশ আইন বনাম বাংলাদেশের আইন
- অতীত প্রতিদান: ইংলিশ আইনে সাধারণত বৈধ নয়; বাংলাদেশে বৈধ।
- প্রতিদানের উৎস: ইংলিশ আইনে প্রতিশ্রুতিগ্রহীতার কাছ থেকে আসতে হয়; বাংলাদেশে অন্য যেকোনো ব্যক্তির কাছ থেকেও আসতে পারে।
- প্রতিদানহীন চুক্তি: ইংলিশ আইনে সিলমোহরযুক্ত দলিল (deed) প্রতিদান ছাড়াও বলবৎযোগ্য; বাংলাদেশে ২৫ ধারার ব্যতিক্রমগুলো প্রযোজ্য।
একটি সমস্যাভিত্তিক উদাহরণ
প্রশ্ন: রহিম তাঁর ভাইপো করিমকে মৌখিকভাবে প্রতিশ্রুতি দেন যে করিম পরীক্ষায় প্রথম বিভাগ পেলে তিনি তাঁকে একটি মোটরসাইকেল দেবেন। করিম প্রথম বিভাগ পেলেন, কিন্তু রহিম অস্বীকার করলেন। করিম কি মামলা করতে পারবেন?
উত্তরের কাঠামো: প্রথমে প্রশ্ন, এটি কি নিছক উপহারের প্রতিশ্রুতি, নাকি প্রতিদানসহ চুক্তি? রহিমের ইচ্ছায় করিম প্রথম বিভাগ পাওয়ার জন্য অতিরিক্ত পরিশ্রম করেছেন, এমন যুক্তি দেওয়া যায় যে এটি শর্তসাপেক্ষ প্রস্তাবের গ্রহণ ও প্রতিদান। আবার বিপরীত যুক্তি হলো, পারিবারিক পরিবেশে এমন প্রতিশ্রুতিতে আইনি সম্পর্ক সৃষ্টির উদ্দেশ্য (intention to create legal relations) থাকে না। স্নেহজনিত ব্যতিক্রম প্রযোজ্য হবে না, কারণ প্রতিশ্রুতি লিখিত ও নিবন্ধিত নয়। সিদ্ধান্ত: আইনি সম্পর্ক সৃষ্টির উদ্দেশ্য প্রমাণ কঠিন হওয়ায় করিমের মামলা দুর্বল। পরীক্ষায় দুই দিকের যুক্তি দেখিয়ে সুস্পষ্ট সিদ্ধান্ত দিলে পূর্ণ নম্বর পাওয়া সহজ।
অন্যান্য বিশেষ চুক্তিতে প্রতিদান
চুক্তি আইনের কিছু বিশেষ অধ্যায়েও প্রতিদানের প্রশ্ন আলাদাভাবে এসেছে। জামিন চুক্তির ক্ষেত্রে ১২৭ ধারা অনুযায়ী মূল ঋণগ্রহীতার উপকারে করা যেকোনো কাজ বা প্রতিশ্রুতি জামিনদারের প্রতিশ্রুতির যথেষ্ট প্রতিদান হতে পারে; জামিনদার নিজে সরাসরি কিছু না পেলেও চুক্তি বৈধ। আবার জিম্মা বা বেইলমেন্টের কিছু রূপ, যেমন বিনা পারিশ্রমিকে অন্যের জিনিস রাখা, প্রতিদান ছাড়াও দায় তৈরি করে।
পরীক্ষায় উত্তর লেখার কাঠামো
- ভূমিকা: চুক্তিতে প্রতিদানের গুরুত্ব ও "No consideration, no contract" নীতি।
- ২(ঘ) ধারার সংজ্ঞা এবং Currie v Misa-র সংজ্ঞা।
- উপাদানগুলো, প্রতিটির সঙ্গে প্রাসঙ্গিক মামলা।
- পর্যাপ্ততা প্রসঙ্গ।
- ২৫ ধারার তিন ব্যতিক্রম, উদাহরণসহ।
- ইংলিশ আইনের সঙ্গে তুলনা।
- উপসংহার।
উত্তরে মামলার রেফারেন্স কীভাবে দেবেন, জানতে পড়ুন আইন পরীক্ষার উত্তরে মামলার রেফারেন্স কীভাবে দেবেন।
সংক্ষেপে মনে রাখুন: প্রতিদান হতে হবে প্রতিশ্রুতিদাতার ইচ্ছায়, বাস্তব ও আইনসংগত; তবে পর্যাপ্ত হওয়া জরুরি নয়।
উপসংহার
Consideration চুক্তির প্রাণ, কারণ এটি একটি নিছক প্রতিশ্রুতিকে আইনগতভাবে বলবৎযোগ্য দায়ে রূপান্তরিত করে। বাংলাদেশের চুক্তি আইন ইংলিশ আইনের তুলনায় এ বিষয়ে কিছুটা উদার, যেমন অতীত প্রতিদান ও তৃতীয় ব্যক্তির কাছ থেকে প্রতিদান স্বীকৃতি। আর ২৫ ধারার ব্যতিক্রমগুলো দেখায়, আইন কিছু নৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতাকে, যেমন পারিবারিক স্নেহ ও কৃতজ্ঞতাকে, স্বীকৃতি দিয়েছে।

মন্তব্যসমূহ (০)