আদালতে কোনো ঘটনা প্রমাণ করতে গেলে শুধু মূল ঘটনাটুকু নয়, তার আশপাশের কথা ও কাজও অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। মারামারির মুহূর্তে আহত ব্যক্তির চিৎকার, প্রত্যক্ষদর্শীর তাৎক্ষণিক মন্তব্য, কিংবা হামলাকারীর পালানোর সময় বলা কোনো কথা, এগুলো মূল ঘটনার এতটাই অবিচ্ছেদ্য অংশ যে বাদ দিলে ঘটনার পূর্ণ চিত্র পাওয়া যায় না। সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ৬ ধারা ঠিক এই ধরনের তথ্যকে প্রাসঙ্গিক ঘোষণা করেছে। লাতিন শব্দবন্ধে নীতিটি পরিচিত Res Gestae নামে, যার মোটামুটি অর্থ "যা ঘটেছে" বা "সম্পাদিত ঘটনাবলি"।
এলএলবি পরীক্ষায় সাক্ষ্য আইনের সবচেয়ে বেশি আলোচিত বিষয়গুলোর একটি Res Gestae। প্রশ্ন আসে সংজ্ঞা, শর্ত, শোনা সাক্ষ্যের সঙ্গে সম্পর্ক এবং সমস্যাভিত্তিক প্রয়োগ নিয়ে। নিচের আলোচনায় ধারার মূল পাঠ থেকে শুরু করে বিচারিক ব্যাখ্যা ও পরীক্ষার উত্তর-কাঠামো পর্যন্ত ধাপে ধাপে দেখানো হলো।
৬ ধারা কী বলে
৬ ধারার মূল কথা হলো: যে তথ্য নিজে বিচার্য বিষয় (fact in issue) নয়, কিন্তু বিচার্য বিষয়ের সঙ্গে এমনভাবে সম্পর্কিত যে তা একই লেনদেনের (same transaction) অংশ গঠন করে, সেই তথ্য প্রাসঙ্গিক। তথ্যটি একই সময় ও স্থানে ঘটুক বা ভিন্ন সময় ও স্থানে, তাতে কিছু যায় আসে না, যদি তা একই লেনদেনের অংশ হয়।
ধারার সঙ্গে চারটি দৃষ্টান্ত দেওয়া আছে, যেগুলো নীতিটি বুঝতে খুব কাজে লাগে:
- দৃষ্টান্ত (ক): ক-এর বিরুদ্ধে খ-কে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ। মারধরের সময় বা তার ঠিক আগে-পরে ক, খ বা উপস্থিত লোকজন যা বলেছে বা করেছে, তা লেনদেনের অংশ হিসেবে প্রাসঙ্গিক।
- দৃষ্টান্ত (খ): সশস্ত্র বিদ্রোহে অংশ নিয়ে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালানোর অভিযোগে বিদ্রোহের সময় সম্পদ ধ্বংস, সেনাদের ওপর হামলা ইত্যাদি ঘটনা প্রাসঙ্গিক, অভিযুক্ত সব ঘটনায় উপস্থিত না থাকলেও।
- দৃষ্টান্ত (গ): চিঠিপত্রের অংশ হিসেবে লেখা একটি চিঠিতে মানহানির মামলায় ওই চিঠিপত্রের অন্য চিঠিগুলোও প্রাসঙ্গিক, যদিও সেগুলোতে মানহানিকর কথা নেই।
- দৃষ্টান্ত (ঘ): খ-এর কাছ থেকে অর্ডার দেওয়া পণ্য ক-এর কাছে পৌঁছেছে কি না, এই প্রশ্নে মধ্যবর্তী বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে পণ্য হস্তান্তরের প্রতিটি ধাপ প্রাসঙ্গিক।
দৃষ্টান্ত (খ) ও (ঘ) দেখায় যে "একই লেনদেন" কেবল এক মুহূর্তের ঘটনা নয়; একটি ধারাবাহিক কর্মকাণ্ড বা ঘটনাপ্রবাহও একটি লেনদেন হতে পারে। মূল প্রশ্ন হলো ঘটনাগুলোর মধ্যে নিরবচ্ছিন্ন সংযোগ আছে কি না।
"একই লেনদেন" কীভাবে চিনবেন
সাক্ষ্য আইনে "লেনদেন" শব্দের সংজ্ঞা দেওয়া হয়নি। আদালত ও ভাষ্যকাররা কয়েকটি মানদণ্ড ব্যবহার করেন:
- সময়ের নৈকট্য: তথ্যটি মূল ঘটনার সময়ে বা তার এতটা কাছাকাছি ঘটেছে কি না যে দুটিকে আলাদা করা যায় না।
- স্থানের ঐক্য বা সংযোগ: একই স্থানে না হলেও ঘটনাগুলো একটি অভিন্ন প্রবাহে যুক্ত কি না।
- উদ্দেশ্য বা পরিকল্পনার ধারাবাহিকতা: ঘটনাগুলো একই উদ্দেশ্য বা পরিকল্পনার অংশ কি না।
- কার্যকারণের নিরবচ্ছিন্নতা: একটি ঘটনা আরেকটির সরাসরি ফল বা অংশ কি না।
এসব মানদণ্ড একসঙ্গে বিবেচনা করা হয়; কোনো একটি একা নির্ধারক নয়। তাই Res Gestae প্রয়োগ অনেকটাই ঘটনানির্ভর, এবং আদালতের বিবেচনার জায়গা এখানে বড়।
সমসাময়িকতা ও স্বতঃস্ফূর্ততা: মূল শর্ত
Res Gestae হিসেবে কোনো বক্তব্য গ্রহণযোগ্য হতে হলে তা ঘটনার সমসাময়িক হতে হবে বা এত কাছাকাছি সময়ে বলা হতে হবে যে বক্তার পক্ষে ভেবেচিন্তে গল্প বানানোর সুযোগ ছিল না। এর পেছনের যুক্তি সহজ: ঘটনার চাপে, উত্তেজনায় বা আতঙ্কে মানুষ যা বলে, তা সাধারণত স্বতঃস্ফূর্ত হয়, পরিকল্পিত মিথ্যা হওয়ার সম্ভাবনা কম। কিন্তু ঘটনা থেকে দূরে সরে, শান্ত হয়ে পরে যা বলা হয়, তা আর ঘটনার অংশ নয়; তা ঘটনার বর্ণনা মাত্র।
অর্থাৎ বক্তব্যটি হতে হবে ঘটনার অংশ (part of the event), ঘটনার বিবরণ (narrative of the event) নয়। এই পার্থক্যটিই Res Gestae বোঝার চাবিকাঠি।
গুরুত্বপূর্ণ মামলা: বিচারিক দৃষ্টিভঙ্গির বিবর্তন
R v Bedingfield (১৮৭৯, ইংল্যান্ড)
এই মামলায় এক নারী গলা কাটা অবস্থায় ঘর থেকে বেরিয়ে এসে বলেছিলেন, অভিযুক্ত তাঁর এই অবস্থা করেছে। কিছুক্ষণ পরই তিনি মারা যান। আদালত বক্তব্যটি গ্রহণ করেননি, কারণ তা ঘটনা শেষ হওয়ার পরে বলা হয়েছিল এবং ঘটনার অংশ নয় বলে মনে করা হয়েছিল। মামলাটি অতিমাত্রায় কঠোর বলে পরে সমালোচিত হয়েছে, তবে এটি সমসাময়িকতার শর্তের সবচেয়ে পরিচিত উদাহরণ।
Ratten v The Queen (১৯৭২, প্রিভি কাউন্সিল)
এখানে স্ত্রী মারা যাওয়ার কিছু আগে আতঙ্কিত কণ্ঠে টেলিফোন অপারেটরকে পুলিশ ডাকার অনুরোধ করেছিলেন। প্রিভি কাউন্সিল বক্তব্যটি গ্রহণযোগ্য বলে মত দেয়। যুক্তি ছিল, বক্তব্যটি এমন পরিস্থিতিতে দেওয়া যেখানে মনগড়া কিছু বানানো বা বিকৃতির সম্ভাবনা কার্যত ছিল না। এই মামলা কঠোর সময়-পরীক্ষার বদলে স্বতঃস্ফূর্ততার পরীক্ষাকে সামনে আনে।
R v Andrews (১৯৮৭, হাউস অব লর্ডস)
ছুরিকাঘাতের কয়েক মিনিট পর আহত ব্যক্তি পুলিশকে হামলাকারীদের নাম বলেছিলেন। হাউস অব লর্ডস বক্তব্যটি গ্রহণ করে এবং একটি কার্যকর মানদণ্ড দেয়: ঘটনাটি বক্তার মনকে এতটাই আচ্ছন্ন করে রেখেছিল কি না যে বক্তব্যটি ঘটনার প্রতি স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিক্রিয়া হিসেবে গণ্য করা যায়। একই সঙ্গে আদালত সতর্ক করেন, বক্তার ভুল করার সম্ভাবনা, যেমন দৃষ্টিশক্তি বা মানসিক অবস্থার কারণে, তাও বিবেচনায় নিতে হবে।
Gentela Vijayavardhan Rao v State of Andhra Pradesh (১৯৯৬, ভারতের সুপ্রিম কোর্ট)
ভারতের সুপ্রিম কোর্ট এ মামলায় ৬ ধারার সমতুল্য ভারতীয় বিধানের ব্যাখ্যায় বলেন, Res Gestae হিসেবে বক্তব্য গ্রহণযোগ্য হতে হলে তা ঘটনার সঙ্গে সমসাময়িক বা অব্যবহিত পরে হতে হবে, এবং মাঝে এমন সময়ের ব্যবধান থাকা চলবে না যাতে বানানো বা সাজানোর সুযোগ তৈরি হয়। উপমহাদেশের আদালতগুলো সাধারণত এই দৃষ্টিভঙ্গিই অনুসরণ করে। বাংলাদেশের আদালতও ৬ ধারা প্রয়োগে সমসাময়িকতা ও স্বতঃস্ফূর্ততাকে কেন্দ্রীয় বিবেচ্য হিসেবে দেখেন।
শোনা সাক্ষ্য বর্জনের নিয়মের সঙ্গে সম্পর্ক
সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারা অনুযায়ী মৌখিক সাক্ষ্য হতে হবে প্রত্যক্ষ: যা দেখা হয়েছে তা সেই ব্যক্তিকেই বলতে হবে যিনি দেখেছেন, যা শোনা হয়েছে তা সেই ব্যক্তিকেই বলতে হবে যিনি শুনেছেন। অন্যের মুখে শোনা কথা সাধারণত গ্রহণযোগ্য নয়। এ নিয়ম নিয়ে বিস্তারিত পড়ুন Hearsay Evidence কী এবং কেন সাধারণত গ্রহণযোগ্য নয়।
Res Gestae এই নিয়মের একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যতিক্রম হিসেবে কাজ করে। ধরুন, মারামারির সময় আহত ব্যক্তি চিৎকার করে বললেন, "রহিম আমাকে ছুরি মারল"। প্রত্যক্ষদর্শী আদালতে এসে বললেন তিনি এই চিৎকার শুনেছেন। কঠোরভাবে দেখলে এটি অন্যের কথা পুনরাবৃত্তি, কিন্তু চিৎকারটি ঘটনার অংশ হওয়ায় ৬ ধারায় তা প্রাসঙ্গিক। এখানে প্রত্যক্ষদর্শী নিজে যা শুনেছেন তা-ই বলছেন, তাই ৬০ ধারার প্রত্যক্ষতার শর্তও পূরণ হয়।
Res Gestae বনাম মৃত্যুকালীন জবানবন্দি
পরীক্ষায় এ দুটি প্রায়ই গুলিয়ে যায়। মৃত্যুকালীন জবানবন্দি সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) ধারার বিষয় (বিস্তারিত: Dying Declaration কী এবং এর সাক্ষ্যগত মূল্য)। পার্থক্যগুলো এক নজরে:
| বিষয় | Res Gestae (৬ ধারা) | মৃত্যুকালীন জবানবন্দি (৩২(১) ধারা) |
|---|---|---|
| বক্তার মৃত্যু | প্রয়োজন নেই; বক্তা জীবিত থাকলেও প্রযোজ্য | বক্তার মৃত্যু অপরিহার্য |
| সময় | ঘটনার সমসাময়িক বা অব্যবহিত পরে | ঘটনার অনেক পরেও হতে পারে, যদি মৃত্যুর কারণ বা পরিস্থিতি সম্পর্কে হয় |
| বিষয়বস্তু | ঘটনার অংশ এমন যেকোনো কথা বা কাজ | মৃত্যুর কারণ বা মৃত্যুর দিকে নিয়ে যাওয়া লেনদেনের পরিস্থিতি |
| ভিত্তি | স্বতঃস্ফূর্ততা | প্রয়োজনীয়তা ও মৃত্যুমুখী ব্যক্তির সত্য বলার ধারণা |
একই বক্তব্য কখনো দুই ধারাতেই প্রাসঙ্গিক হতে পারে। যেমন আহত ব্যক্তি ঘটনাস্থলেই হামলাকারীর নাম বলে কিছুক্ষণ পর মারা গেলে বক্তব্যটি ঘটনার অংশ হিসেবে ৬ ধারায় এবং মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে হওয়ায় ৩২(১) ধারায়ও বিবেচিত হতে পারে।
৬, ৭ ও ৮ ধারার পারস্পরিক সম্পর্ক
৬ ধারার পরের দুটি ধারা প্রাসঙ্গিকতার পরিধি আরও বিস্তৃত করেছে। ৭ ধারা অনুযায়ী বিচার্য ঘটনার উপলক্ষ, কারণ বা ফল, অথবা যে পরিস্থিতিতে ঘটনাটি ঘটেছে বা যা ঘটনার সুযোগ তৈরি করেছে, এমন তথ্য প্রাসঙ্গিক। ৮ ধারা উদ্দেশ্য (motive), প্রস্তুতি এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী আচরণকে প্রাসঙ্গিক করেছে। ৬ ধারা যেখানে ঘটনার অবিচ্ছেদ্য অংশ নিয়ে কাজ করে, ৭ ও ৮ ধারা সেখানে ঘটনার আগে-পরের সংযুক্ত তথ্য নিয়ে। পরীক্ষার উত্তরে এই সম্পর্ক দেখাতে পারলে উত্তরের মান বাড়ে। প্রাসঙ্গিকতা ও গ্রহণযোগ্যতার মৌলিক পার্থক্য জানতে দেখুন সাক্ষ্য আইনে Relevancy ও Admissibility-র পার্থক্য।
একটি সমস্যাভিত্তিক উদাহরণ
সমস্যা: রাত ১০টায় এক দোকানে ডাকাতি হয়। দোকানি আহত অবস্থায় রাস্তায় বেরিয়ে এসে চিৎকার করে বলেন, "কালো জ্যাকেট পরা দুজন আমার ক্যাশ নিয়ে গেছে।" পাশের দোকানদার এটি শোনেন। দুই দিন পর থানায় দোকানি পুলিশের কাছে বিস্তারিত বিবরণ দেন। বিচারে পাশের দোকানদারের সাক্ষ্য এবং থানায় দেওয়া বিবরণ কীভাবে বিবেচিত হবে?
সমাধানের রূপরেখা: ঘটনার পরপরই আহত অবস্থায় দেওয়া চিৎকার ডাকাতির লেনদেনের অংশ; সময়ের ব্যবধান নেই, ভেবে বলার সুযোগও ছিল না। তাই পাশের দোকানদার যা শুনেছেন, তা ৬ ধারায় প্রাসঙ্গিক। কিন্তু দুই দিন পরে থানায় দেওয়া বিবরণ ঘটনার অংশ নয়, ঘটনার বর্ণনা। এটি Res Gestae নয়; তদন্তকালে পুলিশের কাছে দেওয়া বিবৃতি হিসেবে এর ব্যবহার ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১-১৬২ ধারার সীমাবদ্ধতার অধীন, এবং দোকানি নিজে আদালতে সাক্ষ্য দিলে তাঁর জবানবন্দিই মূল প্রমাণ হবে।
সাধারণ ভুল ধারণা
- "ঘটনার দিনের যেকোনো কথাই Res Gestae": না। একই দিনে হলেও ঘটনা শেষ হওয়ার পর শান্ত মনে দেওয়া বিবরণ ঘটনার অংশ নয়।
- "Res Gestae হলেই তা সত্য": না। ৬ ধারা শুধু প্রাসঙ্গিকতা নির্ধারণ করে। সাক্ষ্যের বিশ্বাসযোগ্যতা ও ওজন আদালত আলাদাভাবে বিচার করেন।
- "শুধু ভুক্তভোগীর কথাই গ্রহণযোগ্য": না। দৃষ্টান্ত (ক) অনুযায়ী অভিযুক্ত, ভুক্তভোগী ও উপস্থিত দর্শকদের কথা ও কাজ, সবই লেনদেনের অংশ হতে পারে।
- "নির্দিষ্ট মিনিটের সীমা আছে": আইনে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই। মূল প্রশ্ন সময়ের দৈর্ঘ্য নয়, বানানোর সুযোগ তৈরি হয়েছিল কি না।
পরীক্ষার উত্তর কীভাবে সাজাবেন
"Res Gestae নীতি ব্যাখ্যা কর" ধরনের প্রশ্নে একটি কার্যকর কাঠামো হতে পারে:
- ভূমিকা: নীতির অর্থ ও লাতিন শব্দবন্ধ।
- ৬ ধারার বক্তব্য নিজের ভাষায়, সঙ্গে অন্তত দুটি দৃষ্টান্ত।
- "একই লেনদেন" নির্ণয়ের মানদণ্ড।
- সমসাময়িকতা ও স্বতঃস্ফূর্ততার শর্ত, Bedingfield থেকে Andrews পর্যন্ত বিবর্তন।
- শোনা সাক্ষ্যের ব্যতিক্রম হিসেবে ভূমিকা।
- মৃত্যুকালীন জবানবন্দির সঙ্গে পার্থক্য।
- সমালোচনা: নীতির অস্পষ্টতা ও বিচারকের বিবেচনার ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা।
- উপসংহার।
মামলার উদ্ধৃতি দেওয়ার কৌশল নিয়ে আছে আইন পরীক্ষার উত্তরে মামলার রেফারেন্স কীভাবে দেবেন।
অনুশীলনের জন্য প্রশ্ন
নিচের প্রশ্নগুলো সিলেবাসভিত্তিক অনুশীলনী, কোনো নির্দিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় বা বছরের পরীক্ষার প্রশ্ন হিসেবে উপস্থাপিত নয়:
- Res Gestae কী? সাক্ষ্য আইনের ৬ ধারার আলোকে এর শর্তাবলি আলোচনা কর।
- "Res Gestae শোনা সাক্ষ্য বর্জনের নিয়মের ব্যতিক্রম": ব্যাখ্যা কর।
- Res Gestae ও মৃত্যুকালীন জবানবন্দির পার্থক্য নির্ণয় কর।
- R v Andrews মামলায় প্রদত্ত মানদণ্ড আলোচনা কর।
শেষ কথা
Res Gestae নীতির মূল দর্শন হলো, ঘটনার উত্তাপে স্বতঃস্ফূর্তভাবে উচ্চারিত কথা ও কাজ সত্যের কাছাকাছি থাকে, তাই সেগুলোকে ঘটনার অংশ হিসেবে আদালতের সামনে আসতে দেওয়া উচিত। তবে নীতিটির সীমাও স্পষ্ট: ঘটনার পরে সাজানো বিবরণ এর আওতায় পড়ে না। প্রতিটি সমস্যায় তাই একটি প্রশ্ন দিয়ে শুরু করুন: বক্তব্যটি ঘটনার অংশ, নাকি ঘটনার বর্ণনা?

মন্তব্যসমূহ (০)