বাজারে ভেজাল পণ্য, মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার, ওজনে কারচুপি বা অতিরিক্ত মূল্য আদায়ের ঘটনা প্রায়ই ঘটে। এসব ক্ষেত্রে একজন ভোক্তা হিসেবে প্রতিকার পাওয়ার আইনি ভিত্তি দিয়েছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯।
অভিযোগ করার অধিকার
আইনের ৭৬(১) ধারা অনুযায়ী, যেকোনো ব্যক্তি — যিনি সাধারণভাবে একজন ভোক্তা বা ভোক্তা হতে পারেন — কোনো বিক্রেতা বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ভোক্তা-অধিকার বিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগ জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে লিখিতভাবে দায়ের করতে পারেন।
অভিযোগ কোথায় ও কীভাবে করবেন
- নিকটস্থ জেলা ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ কার্যালয়ে সরাসরি গিয়ে লিখিত অভিযোগ দাখিল করা যায়
- জাতীয় ভোক্তা অভিযোগ কেন্দ্রে ফোন বা ইমেইলের মাধ্যমেও অভিযোগ জানানো যায়
- অভিযোগের সঙ্গে প্রমাণ হিসেবে রসিদ, পণ্যের ছবি বা অন্যান্য সহায়ক তথ্য যুক্ত করা উচিত
জরিমানার একাংশ অভিযোগকারী পান
অভিযোগ প্রমাণিত হয়ে বিক্রেতার জরিমানা হলে এবং তা আদায় হলে, আদায়কৃত জরিমানার ২৫ শতাংশ অভিযোগকারীকে প্রদান করা হয় — যা এই আইনের একটি ব্যতিক্রমী ও উৎসাহব্যঞ্জক বিধান।
মনে রাখা জরুরি বিষয়
অভিযোগ যত সুনির্দিষ্ট প্রমাণসহ দাখিল করা যায়, তদন্ত ও প্রতিকার তত দ্রুত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। বড় অঙ্কের ক্ষতি বা জটিল প্রতারণার ক্ষেত্রে সমান্তরালে আইনি পরামর্শ নেওয়াও বিবেচনা করা যেতে পারে।

মন্তব্যসমূহ (০)